দেশজুড়ে মহাসমারোহে পালিত হল প্রজাতন্ত্র দিবস


শুক্রবার,২৬/০১/২০১৮
944

শুভ বিশ্বাস:

তখনও দেশে কোনো স্থায়ী সংবিধান ছিল না; ঔপনিবেশিক ভারত শাসন আইনে কিছু রদবদল ঘটিয়েই দেশ শাসনের কাজ চলছিল। ১৯৪৭ খ্রিঃ ২৮শে আগস্ট একটি স্থায়ী সংবিধান রচনার জন্য ড্রাফটিং কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন ভীমরাও রামজি আম্বেডকর।সংবিধান প্রবর্তনের স্মৃতিতে প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি তারিখটি প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়। ভারতে সাধারণতন্ত্র দিবস বা প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হয় ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি তারিখে ভারত শাসনের জন্য ১৯৩৫ সালের ভারত সরকার আইনের পরিবর্তে ভারতীয় সংবিধান কার্যকরী হওয়ার ঘটনাকে স্মরণ করে।

এটি ভারতের একটি জাতীয় দিবস।সাধারণতন্ত্র দিবস উদ্‌যাপনের প্রধান কর্মসূচী পালিত হয় ভারতের রাষ্ট্রপতির সামনে, জাতীয় রাজধানী নয়াদিল্লীতে।ভারত ১৫ ই আগস্ট, ১৯৪৭ স্বাধীন হয়। ভারত এই সময়ে একটি স্থায়ী সংবিধান ছিল না। খসড়া কমিটি ১৯৪৭ সালের ৪ নভেম্বর জাতীয় সংসদে জাতীয় সংবিধানের প্রথম খসড়াটি উপস্থাপন করে। জাতীয় পরিষদ ২৪ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে সংবিধানের চূড়ান্ত ইংরেজী ও হিন্দি ভাষা সংস্করণের স্বাক্ষর করে।ভারতের সংবিধানটি গণপ্রজাতন্ত্রী ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে কার্যকর হয়ে ওঠে। এই তারিখটি নির্বাচিত হয়েছিল ২৬ শে জানুয়ারি, ১৯৩০ সালে।

সংবিধানটি ভারতবর্ষের নাগরিকদের নির্বাচন করে নিজেদের শাসন করার ক্ষমতা প্রদান করে তাতকালিন সরকার।আজ ৬৯তম প্রজাতন্ত্র দিবস। এই উপলক্ষ্যে দিল্লির রাজপথে এদিন ভারতের সামরিক শক্তির পাশাপাশি সংস্কৃতি ও উন্নয়নের ছবি তুলে ধরা হয়েছে। এ বছরের প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি ১০টি আসিয়ানভুক্ত দেশের রাষ্ট্রনেতা।সেনাবাহিনীর মধ্যে ছিল পঞ্জাব রেজিমেন্ট, মরাঠা লাইট ইনফ্যান্ট্রি, ডোগরা ও লাদাখ স্কাউটস। প্যারাডে যোগ দেয় বায়ুসেনা, নৌসেনা, উপকূলরক্ষী বাহিনী, আইটিবিপি, এসএসবি ও দিল্লি পুলিশ।

তবে এবারের আকর্ষণ ছিলেন বিএসএফের মহিলা বাইক আরোহীরা।দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে সীমান্তে সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের জের। শুক্রবার প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে পাকিস্তানের সঙ্গে কোনওরকম মিষ্টি বিনিময় করল না ভারত।প্রসঙ্গত, হালে ভারত-পাক সীমান্তে সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন প্রায় প্রতিদিনের ঘটনা হয়ে গিয়েছে। এর জেরে সীমান্তে গোলাগুলি-সংঘর্ষ ঘটছেই। প্রতিদিনই মৃত্যু হচ্ছে সেনা জওয়ানের বা আমজনতার। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে মিষ্টি বিনিময় সম্ভব নয়, তাই শুভেচ্ছা বিনিময়ের কোনও উদ্যোগও নেয়নি বিএসএফ। বিএসএফ-এর তরফে সেই বার্তা বৃহস্পতিবার পাকিস্তানি রেঞ্জার্সদের জানিয়ে দেওয়াও হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

Loading...

চাক‌রির খবর

ভ্রমণ

হেঁসেল

    জানা অজানা

    সাহিত্য / কবিতা

    সম্পাদকীয়


    ফেসবুক আপডেট