ভাঙড়ে গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের ঘটনায় গ্রেফতার রেজ্জাক ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেত্রী সহ ৯ জন


রবিবার,০৪/০২/২০১৮

বাংলা এক্সপ্রেস ,প্রতিনিধি, ভাঙড় ; ভাঙড়ে তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের ঘটনায় গ্রেফতার রেজ্জাক ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেত্রী সোমা নস্কর সহ দুই গোষ্ঠীর ৯ জন ।কয়েক দিন আগেই ওই নেত্রী কালিঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে কাইজারের বিরুদ্ধে নালিশ জানান। তার পরই তার গ্রেফতারি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। অবশ্য শনিবার তাঁকে বারুইপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁকে জামিনে মুক্তি দেন।
মদ্যপানের প্রতিবাদ কে কেন্দ্র করে তৃণমূলের মহিলা নেত্রী কে মারধর আদতে ভাঙড়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বের জের। তা আবারও প্রকাশ্যে চলে এলো। শুক্রবার রাতে রেজ্জাক ঘনিষ্ঠ নারায়ণপুর এলাকার মহিলা নেত্রী সোমা নস্কর সহ চার জন নেতা কর্মীদের গ্রেফতার করা হয় এর পাশাপাশি বিরুদ্ধ গোষ্ঠী তথা তৃণমূল নেতা কাইজার আহমেদ গোষ্ঠীর ৫ জন কে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রের খবর, ভাঙড়ে তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে লাগাম টানতে এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে অভিযোগ ক্ষতিয়ে দেখে দুই পক্ষের ৯ জন কে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে  উল্লেখযোগ্য,মহাদেব , শঙ্কর সহ সোমা নস্কর। এদের বিরুদ্ধে মারধর, রাস্তা অবরোধ, দোকান ভাঙচুরের সহ একাধিক ঘটনায় মামলা রুজু করা হয়েছে। শনিবার অভিযুক্ত চার জন কে বারুইপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেন।
নারায়ণপুর ঘুনিমেঘি এলাকার মহিলা নেত্রী সোমা নস্কর স্বরস্বতী পুজার দিন প্রকাশ্যে মদ্যপানের প্রতিবাদ করে আক্রান্ত হন।তার পর অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে বাসন্তী হাইওয়ে অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান ওই নেত্রী সহ তার অনুগামীরা। এর পাশাপাশি কাইজার সহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কালিঘাটে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নালিশ জানান। তার কয়েক দিন পরেই ভাঙড় থানার পুলিশ ওই মহিলা নেত্রী সহ অন্যান্যদের কে গ্রেফতার করে বারুইপুর মহকুমা আদালতে পাঠায়। গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের আইনজীবীদের সওয়াল জবাব শুনে অভিযুক্তদের জামিন মঞ্জুর করেন। এ বিষয়ে জামিনে মুক্ত পাওয়া সোমা নস্কর বলেন, “সত্যের জয় অবধারিত, মদ্যপানের প্রতিবাদ করে মার খেয়ে জেলে গেলাম, আর মুল অভিযুক্তরা এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করছে না।”

চাক‌রির খবর

ভ্রমণ

হেঁসেল

জানা অজানা

সাহিত্য / কবিতা

সম্পাদকীয়


ফেসবুক আপডেট