নওলক্ষা মন্দির


বুধবার,২৮/০২/২০১৮

 

বাংলা এক্সপ্রেস: বাঙালী বরাবরই ভ্রমণ পিপাসু। দূরে হোক বা কাছে ভ্রমণের সুযোগ পেলে হাত ছাড়া করতে সে রাজী নয় কোনো মতেই। ব‍্যস্ত দৈনন্দিন জীবনে দূরে ভ্রমণের সুযোগ খুবই কম বললেই চলে। তবে হাতে যদি দুদিন সময় থাকে ঘুরে আসতেই পারেন নওলক্ষা মন্দির।

কলকাতার পাথুরিয়া ঘাট রাজবংশের রানী চারুশীলা ঘোষ, তাঁর স্বামী অক্ষয় ঘোষ ও পুত্র যতীন্দ্র ঘোষের অকাল মৃত্যুতে শোকবিহ্বল হয়ে গৃহত্যাগী হন। দেওঘরের তপোবন পাহাড়ে গুরু বালানন্দ ব্রহ্মচারীর স্মরণাপন্ন হন। গুরুদেবের উপদেশে রানী এই মন্দিরটি নির্মান করেছিলেন। সেইসময়ে মন্দিরটি নির্মান করতে নয় লক্ষ টাকা খরচ হয়েছিল। তাই এর নাম হয় নওলক্ষা মন্দির। 1936 সালে মন্দিরের নির্মান কার্য শুরু হয়, 1941 সালে শেষ হয়। উচ্চচূড়া, পিলার ও লম্বা বারান্দা বিশিষ্ট মার্বেল পাথরের এই মন্দিরটিতে মিশ্র স্থাপত্যের এক বলিষ্ঠ নিদর্শন লক্ষ্য করা যায়। মন্দিরের গঠনশৈলী অনেকটা বেলুড় মঠের মতো। 146 ফুট উচ্চতার মন্দিরের মধ্যে রাধা কৃষ্ণের মূর্তি রয়েছে। রানীর মৃত্যুর পর, মন্দিরের সম্মুখভাগে পুত্র কোলে রানী চারুশীলা দেবীর প্রস্তর মূর্তি স্থাপিত হয়েছে।

নিরিবিলি মন্দিরের বারান্দায় কিছুক্ষন বসলেই পরম শান্তি অনুভব করা যায়। দেওঘর থেকে মাত্র 2 কিমি দূরে এই মন্দির, যা পর্যটকদের কাছে খুবই আকর্ষনীয়। মন্দিরের মধ্যে মোবাইল বা ক্যামেরার ব্যবহার নিষিদ্ধ। দর্শনের সময় সকাল 7টা থেকে দুপুর 12টা আবার দুপুর 2টা থেকে সন্ধ্যা 7টা।

চাক‌রির খবর

ভ্রমণ

হেঁসেল

জানা অজানা

সাহিত্য / কবিতা

সম্পাদকীয়


ফেসবুক আপডেট