সারাহার পর স্টুলিশে ছেয়ে গেল স‍্যোশাল মিডিয়া


মঙ্গলবার,২২/০৫/২০১৮
2057

সুস্মিতা,বাংলা এক্সপ্রেস: গতবছর আগষ্ট- সেপ্টেম্বর মাসের দিক সারাহা নামক নতুন একটি অ‍্যাপলিকেশন্ ইন্টারনেট দুনিয়াতে আসে। আসার দুই-তিন দিনের মধ্যেই প্রচুর পরিমাণে জনপ্রিয়তা লাভ করে। অধিকাংশ ফেসবুক, ট‍্যুইটার ব‍্যবহারকারীর টাইমলাইন জুড়ে তখন রাজ করছে সারাহা। কখনও ফেসবুক কখনো বা হ‍্যোয়াটস‍্যাপ্, ইস্টাগ্ৰামের স্টোরি হয়ে উঠতে দেখা গিয়েছে একে।সারাহা র পর এখন স্টুলিশে ছেয়ে গেল স‍্যোশাল মিডিয়া ।

কী এই সারাহা বা স্টুলিশ? কেন ই বা স‍্যোশাল মিডিয়ায় রাতারাতি জনপ্রিয়তা লাভ করেছে এই সমস্ত অ‍্যাপ্ গুলো? সারাহা বা স্টুলিশের মত অ‍্যাপ্ গুলি মূলত অ‍্যানোনিমাস্ অ‍্যাপ্। এই অ‍্যাপলিকেশনটিতে অ‍্যাকাউন্ট ওপেন করলে নিজেদের আইডি দিয়ে একটি লিঙ্ক বিভিন্ন জায়গায় (মূলত ফেসবুকে) শেয়ার করার অপশন্ পাওয়া যায়। সুতরাং সেই সমস্ত স‍্যোশাল মিডিয়ায় আমাদের যত ফ্রেন্ডস্- ফলোয়ার্স রয়েছে তারা নিজেদের নাম বা নিজেদের কোনো রকম তথ্য প্রকাশ‍্যে না এনেই আমাদের উদ্দেশ্য বিভিন্ন রকম মেসেজ এই অ‍্যাপ্ টিতে লিখে পাঠাতে পারেন। রাতারাতি জনপ্রিয়তা লাভের প্রধান ও অন‍্যতম কারণ আমরা, আমাদের নাম প্রকাশ না করেই কাউকে উদ্দেশ্য করে যা কিছু বলতে পারি এবং যে ব্যক্তি মেসেজটি রিসিভ করছে অত‍্যন্ত কৌতুহল বশত তিনি স‍্যোশাল মিডিয়ায় এটিকে পোস্ট করে কখনও প্রেরকের নাম জানতে চাইছেন কখনো বা অলক্ষ্যে মেসেজটির উত্তর দিচ্ছেন ।

তবে সারাহার রিপোর্টে দেখা যায় এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু ব‍্যক্তি অত‍্যন্ত অশালীন ও কুরুচিকর মন্তব্য করতে থাকছেন। সেক্ষেত্রে অ‍্যাপ্ টির নিয়ম অনুযায়ী প্রেরকের নাম জানার ও কোনো উপায় থাকে না কাউর। ক্রমাগত রিপোর্ট আসতে থাকে অ‍্যপ্ টির বিরুদ্ধে ফলতঃ এটিকে ডিলিট করতে বাধ্য হন সমস্ত থার্ডপার্টি অ‍্যাপ্ থেকে। তবে এখন সময় স্টুলিশের। সময়ের সাথে সাথে এটি তার জনপ্রিয়তা বজায় রাখতে পারে কিনা তা সময়ই বলবে।

চাক‌রির খবর

ভ্রমণ

হেঁসেল

জানা অজানা

সাহিত্য / কবিতা

সম্পাদকীয়


ফেসবুক আপডেট