ফেসবুক বন্ধুর টানে সোজা রাশিয়া থেকে হুগলির আরামবাগ


মঙ্গলবার,২৮/০৮/২০১৮
1769

সুমন করাতি---

হুগলি: দেড় বছর আগে আরামবাগ এর ও রাশিয়ার এক যুগলের ফেসবুকে পরিচয়। তার পরে আরোও চেনা পরিচিতি। তাই বন্ধুর টানে সোজা রাশিয়ার ইউক্রেন থেকে আরামবাগে।ব্যশ, হৈচৈ পড়ে যায় গোটা আরামবাগ জুড়ে। রাশিয়ার ইউক্রেনের বাসিন্দা লোপা চুক নাদিয়া। বয়স ৩০। তিনেকের ভিসা নিয়ে আরামবাগের তালারপাড় এলাকারএই যুবক মোবাইল ফোনের ব্যবসায়ী প্রসেনজিত কর্মকারের খোঁজে আরামবাগে আসা। রাশিয়া থেকে। গত ২৩ আগষ্ট তিনি দিল্লি তে আসেন। দিল্লি থেকে কোলকাতা।কিছু দিন আগপ আরামবাগের একটি হোটেলে ওঠেন রাশিয়ার এই তরুণী। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে কেন রাশিয়ার এই তরুনী লোপাচুক নাদিয়া আরামবাগের এই যুবক প্রসেনজিতের খোঁজে এলেন। তাহলে কি এমন হয়েছিল যে রাশিয়া থেকে তাকে সোজা আরামবাগে আসতে হল। ইতিমধ্যে গত ১৫ আগষ্ট প্রসেনজিতের বিয়ে হয়।তাহলে কি প্রসেনজিতের বিয়ের খবর জানতে পেরে তাকে আরামবাগে ছুটে আসতে হয়।

রাশিয়ার এই তরুনী কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন,প্রসেনজিত আমার বন্ধু। আমি ইন্ডিয়াকে ভালবাসি। তাই আমি এসেছি। এদিকে আরামবাগের হোটেলে এসে তিনি প্রসেনজিতের খোঁজ করতে থাকেন। এর পরেই তিনি এখানে তিন মাস থাকতে চান। এর পরেই হোটেলের ম্যানেজার প্রসেনজিত কে ডাকে। প্রসেনজিত এলে তার সাথে এই তরুণীর তর্ক বিতর্ক শুরু হয়ে যায়। তা দেখে হোটেল কর্তৃপক্ষ থানায় খবর দেন। এদিন প্রসেনজিত কে প্রশ্ন করা হয় তরুনীযে এখানে এসেছেন, তিনি যদি আপনাকে বিয়ে করতে চান। তার উত্তরে তিনি বলেন, তিনি চাইতেই পারেন। তা বলে আমি তো চাইনা। আমার সাথে ফেস বুকে আলাপ। মেয়েটা কেন এসেছে তা মেয়েটিই জানে। তিনি আমার বন্ধু। এর বাইরে কিছু না। এর পরেই মঙ্গলবার তাকে আরামবাগ থানায় নিয়ে আসা হলে তাকে দেখতে বহু মানুষ থানায় ভিড় জমান। পরে এদিন দুপুরে প্রসেনজিতের সাথেই এই তরুণী কলকাতায় ফিরে যান।

চাক‌রির খবর

ভ্রমণ

হেঁসেল

জানা অজানা

সাহিত্য / কবিতা

সম্পাদকীয়


ফেসবুক আপডেট