অহংকার – এন.কে.মণ্ডল (পঞ্চম পর্ব)


বুধবার,১৮/০৯/২০১৯
526

অহংকার – এন.কে.মণ্ডল
(পঞ্চম পর্ব)

–সুজাতা: তোমার অফিসে তো অনেক অফিসিয়াল কাজ আছে ওকে একটা দাও না।

–সুজন: কি যে বল না, ও কি এসব কাজের ছেলে। তাছাড়া ও ভালো একটি ছেলে ওর ওসব মানায় না। আমি চেষ্টা করব কোনো ভালো কাজ পাওয়া যায় নাকি।

–সুজাতা: ছেলেটা যদি হিন্দু সম্প্রদায়িক হতো তাহলে বড় জামাতা করে নিতাম।

–সুজন: তাই নাকি, ভালো তো।তবে আমি কোনো জাত পাতের ভেদাভেদ আমি রাখি না।
যদি আসিফ এবং রিয়া চায় তো আমার আপত্তি নেই।

রিয়া দরজার পাশ থেকে শুনছিলো ব্যাপারটা, শুনেই বিছানায় গিয়ে মনে মনে হাসে আর গড়াগড়ি দেয়। খুব আনন্দ। কারণ সে অনেক আগে থেকেই আসিফকে ভালোবেসে ফেলেছে।কিন্তু আসিফ ভদ্র এবং ন্যায়পরায়ণ তাই সে ওসব কখনো ভাবে নি। পড়াতে এসে বোনের মত পড়িয়ে চলে যায়।

রিয়া একদা একদিন বারান্দায় গালে হাত দিয়ে ভাবতে থাকে আসিফ কে কিভাবে প্রেমে ফেলা যায়, ও যে ছেলে সৎ প্রকৃতির জড়ানো খুব মুস্কিল। কি করা যায়।

আসিফকে দেখলে এখন উত্তেজনা বেড়ে যায়, কি সুন্দর পালোয়ানের মতো শরীর,ফর্সা লম্বা এবং ভদ্র ও বিশ্বাসী ছেলে এদুনিয়ায় পাওয়া খুব মুস্কিলজনক ব্যাপার।

এদিকে জোর বৃষ্টি সাইকেল নিয়ে ব্যাপক বাড়ি ফিরছে, ভিজে একদম কাক হয়ে গেছে। বাড়ি ফিরেই জামাকাপড় ছাড়ছে আর জানালার ফাঁক দিয়ে রুমা তাকাচ্ছে যে বৃষ্টি কেমন হচ্ছে,আর তাছাড়া বৃষ্টি দেখতে বা ভিজতে রুমার ব্যাপক লাগে তাই সে জানালা দিয়ে দেখছে এমন সময় হঠাৎ করে রুমার চোখ চলে যায় আসিফের জামাকাপড় ছাড়ার দিকে।
রুমা কোনোদিন কোনো ছেলের জামাকাপড় চেঞ্জ করা দেখে নি। দেখতে পেলো। আসিফের সেই ফর্সা পালোয়ানের মতো পেশীবহুল শরীরখানা। রুমা দেখতে থাকে আর নিজের নিজে ঠোঁটে ঠোঁট কামড় মারতে থাকে,আর চিন্তা করতে থাকে যে “আসিফের এতো সুন্দর পালোয়ানের মতো পেশীবহুল শরীর আমি আগে জানতাম না। আসিফ মামাবাড়ি আছে তাই মামা বাদে কেউ ওর খোঁজ খবর নেয় না এমন কি অসুখ বিসুখ হলেও না। কারণ সে তো গরীব অথচ তাঁর সঙ্গেই রুমার বিয়ের কথা ছিল, এখন মামা,মামি, এমন কি রুমাও রাজি নয়।

এন.কে.মণ্ডল

চাক‌রির খবর

ভ্রমণ

হেঁসেল

জানা অজানা

সাহিত্য / কবিতা

সম্পাদকীয়


ফেসবুক আপডেট