বাংলাদেশের গুদামে পেঁয়াজ, বাজারে নেই


বুধবার,০২/১০/২০১৯
1022

মিজান রহমান, ঢাকা : দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেছে। এ কারণে গত রবিবার বিকেল পর্যন্ত ভারতীয় পেঁয়াজবোঝাই ১৪টি ট্রাক বন্দরে প্রবেশের পর আর কোনো ট্রাক প্রবেশ করেনি। এই খবরে বন্দরের মোকামে পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ২৫ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে গেছে। বন্দরের ব্যবসায়ী মোবারক হোসেন জানান, ভারতের হিলির স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আমাদের ফোন করে জানিয়েছেন ভারতে ব্যাপকভাবে বন্যা দেখা দিয়েছে। সেখানে পেঁয়াজের সঙ্কট হওয়ায় দাম কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। এতে ভারত সরকার গতকাল রবিবার বিকেলে এক নোটিফিকেশনের মাধ্যমে কাস্টমস কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি না করার জন্য আদেশ জারি করেছে। এরফলে বিকেল ৪টার পর বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ১৪টি ট্রাক বন্দরের গেট দিয়ে প্রবেশ করে।

শতাধিক টাক প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে ওপার কাস্টমস এলাকায়। তিনি আরো জানান, প্রায় এক মাস আগে ভারত পেঁয়াজের রপ্তানিমূল্য ২৫০-৩০০ মার্কিন ডলার থেকে ৮৫২ ডলার নির্ধারণ করে। এরপর থেকে আমরা ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করছি। রবিবার বিকেলে এই আদেশ পাওয়ার পর ব্যবসায়ীরা হতাশ হয়ে পড়েছে। কারণ অনেক ব্যবসায়ীর এলসি করা আছে, তারা আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রবিবার বিকেলে ১৪টি ভারতীয় ট্রাকে ২৬৮ মেট্রিকটন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। আর কোনো ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করেনি। শনিবার ১৯টি ট্রাকে ৪৩৭ মেট্রিকটন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধের খবরে বন্দরের পানামা পোর্টে পাইকারিতে কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৭৫ টাকায়।

ফলে কেজিতে দাম বেড়েছে ২৫ টাকা। গত শনিবার বেচা-কেনা হয়েছে ৪৭-৫০ টাকায়। পাইকারি ব্যবসায়ী আহম্মদ আলী জানান, হিলি বন্দরের পেয়াজ আমদানিকারকরা বন্দরের বিভিন্ন বেসরকারি গুদামে পেঁয়াজ মজুদ করে রেখে পেঁয়াজের কৃত্রিম সংকটের সৃষ্টিসহ দাম বৃদ্ধি করছে। তারা পাইকারি পেঁয়াজ ক্রয় করতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছে। গুদামে পেঁয়াজ মজুদ থাকার পরও বিক্রয় করছেন না। তারা মজুদদার পেঁয়াজ আমদানিকারকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য র্যাবসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

চাক‌রির খবর

ভ্রমণ

হেঁসেল

জানা অজানা

সাহিত্য / কবিতা

সম্পাদকীয়


ফেসবুক আপডেট