প্রেম -এন.কে.মণ্ডল (দ্বিতীয় পর্ব)


মঙ্গলবার,২২/১০/২০১৯
1826

প্রেম -এন.কে.মণ্ডল (দ্বিতীয় পর্ব)

দ্বিতীয় পর্ব

নাহিদ কে ক্লাসের ছাত্রীরা দেখে মন মুগ্ধ করে ফেলেছে এমন কি স্বপ্নও দেখে ফেলেছে কয়েকজন।

নাহিদ গিয়ে দ্বিতীয় বেঞ্চে বসল মেয়েদের বেঞ্চের পাশেই ছেলেদের বেঞ্চে। নাহিদের পাশাপাশি একটি মেয়ে বসে আছে খুব সুন্দর এবং সবার থেকে আলাদা। খুব একটি কিউট মেয়ে, কোনো ছেলেকেই পাত্তা দেয় না।
সেই মেয়েটিও স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে প্রথম দেখাতেই, এখনো সবকিছু বাকি।

ক্লাস থেকে শিক্ষক বেরিয়ে যাওয়ার পর কয়েকজন ভালো ছেলে ও মেয়ে আসলো নতুন বন্ধু করার জন্য, কিন্তু পাশে বসে থাকা ইলিয়ানা আসে নি।
সবাই নিজেদের পরিচয় করে নেয় নাহিদের সঙ্গে। এইভাবে ক্লাস চলতে থাকে এরপর টিফিনের ছুটি পড়ে যায়, তখন নাহিদের ভালো নতুন নতুন বন্ধু বান্ধবী নাহিদ কে নিয়ে আসে বিদ্যালয়ের ক্যান্টিনে। কিন্তু নাহিদ জানায় সে ক্যান্টিনের খাবার খাই না। তাই নাহিদ কে চাপাচাপি করে অন্তত মিষ্টি খাওয়ানোর আবেদন রাখে। নাহিদ নতুন বন্ধুদের মিষ্টি খাওয়ায় এবং সেও কয়েক পিস খাই।

ধীরে ধীরে নাহিদের ভক্ত সংখ্যা বাড়তেই থাকে, তাকে নিয়ে নানান ভালো ভালো গল্প গুজবে মেতে থাকে ক্লাসের অবসর সময়টা। তাঁর মধ্যে কয়েকজন প্রেমের স্বপ্নে ডুবে ডুবে জল খাচ্ছে।

শুক্রবার একঘণ্টা টিফিনের ছুটি তাই আজ ঠিক হয়েছে পুরো সময় টা ঝালমুড়ি খাবে আর ফিল্টে গল্প করবে। এই মতলব করেছে। টিফিনের ছুটি পড়তেই সোমা ও ঝুমুর ক্যান্টিনে ঝালমুড়ি আনতে চলে গেলো আর সাতজন বন্ধু বান্ধবী মিলে ফিল্টে গল্প শুরু করার জন্য এগিয়ে যাচ্ছে এমন সময় ইলিয়ানা বলল এই নয়না আমিও যাব তোদের সঙ্গে ।

–নয়না: তাহলে এসো
–ইলিয়ানা: একটু দাঁড়াও, জলের বোতল নিয়ে আসি।
এইবলে নয়না ইলিয়ানা কে নিয়ে আসলো। ইলিয়ানা কে দেখে সবাই অনেক খুশি, কারণ সে কোনোদিন কারো সঙ্গে কথা বা সাক্ষাৎ করে নি। এই প্রথম ইলিয়ানা গিয়ে বসল নাহিদের পাশে। পাশে বসতেই একজন বান্ধবী বলেই ফেলল যে ইলিয়ানার সঙ্গে নাহিদের মানানটা অনেক সুন্দর হবে। তোমরা যদি প্রেম করতে পারো তাহলে সুখী হবে।
নাহিদ বলে উঠে আমি এখানে প্রেম করার জন্য আসিনি। আমার প্রাক্তন বিদ্যালয় এই প্রেমের জন্যই ছেড়েছিলাম। তখন সবাই ব্যাপারটি জানতে চাইলো।

তখন অনেক বলার পর রাজি হল ব্যাপারটা বলতে। তাহলে শোনো” আমি যখন দশম শ্রেণীতে পড়ি তখন আমার ক্লাসের অনেক মেয়ে আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয় কিন্তু আমি রাজি হই নি, অনেকদিন ধরেই কয়েকজন মেয়ে শুধুই বিরক্তিকর ভাবে জ্বালাতন করতেছিলো, একদিন হল কি আমি ক্লাস শেষ করে টিফিনের ছুটিতে লাইব্রেরিতে গিয়েছি বই পড়তে। আমার ভ্রমণের গল্প বা ভূতের গল্প কা কার্টুন পড়তে খুব ভালো লাগে তাই রোজকার মত সেদিনই গিয়েছিলাম লাইব্রেরিতে। লাইব্রেরিতে এখন কেউ একটা যায় না। তেমন পড়ে না, কেন না এখনকার সময় সবার বই আছে। আমি একটা ভূতের বই নিয়ে লাইব্রেরির এক কোণের টেবিলে পড়ছিলাম, হটাৎ করে লিজা নামে একটি মেয়ে আসলো একটি সেক্সের বই নিয়ে আমার পাশেই একটু শব্দে পড়তে লাগলো। আমি অনেক্ষণ চুপচাপ পড়ার পর আর ভালো লাগছে না, কারো পাশে শব্দে যদি পড়ে তাহলে কি পড়তে ভালো লাগবে। তখন আমি লিজাকে বললাম লিজা তুমি একটু আস্তে পড় না, প্লিজ।

এন.কে.মণ্ডল

Loading...

চাক‌রির খবর

ভ্রমণ

হেঁসেল

    জানা অজানা

    সাহিত্য / কবিতা

    সম্পাদকীয়


    ফেসবুক আপডেট