মুক্তির স্বাদ পেলেন ছত্রধর,মানুষের ভিড়ে ভেসে লালগড়ে বাড়ি পৌছালেন ছত্রধর


রবিবার,০২/০২/২০২০
692

ঝাড়গ্রাম:- দশ বছর পরে লালগড়ে ফিরলেন একসময় জঙ্গলমহলের দাপুটে নেতা ছত্রধর মাহাত। এক দশক পর শনিবারই জেল থেকে ছাড়া পান ছত্রধর। লোধাশুলি, ঝাড়গ্রাম, বেতকুন্দ্রী, দহিজুড়িতে মিলল বিপুল সংবর্ধনা। জায়গায় জায়গায় তাঁর গাড়ি থামিয়ে দেন উত্সুক জনতা। নেমে এসে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন ছত্রধর।লালগড় আমকলা সেতুর থেকে গ্রামবাসী ও তৃণমূলকর্মীদের নিয়ে লালগড় বাজার পরিক্রমা করে ছত্রধরের গাড়ি। লালগড় এসআই চকে তাঁকে সংবর্ধনা জানায় গ্রামবাসীরা। এতদিন পর এত মানুষের উপস্থিতি ও সংবর্ধনায় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন ছত্রধর মাহাত। তিনি বলেন, এতদিন পর আপনারা আমার জন্য রাস্তায় এসেছেন দেখে অবাক লাগছে।  আপনারা যেমন এতদিন পরও আমার পাশে রয়েছেন আমিও চেষ্টা করব আপনাদের পাশে থাকতে। মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, জীবনের শেষদিন পর্যন্ত দিদির সঙ্গে থেকে মানুষের সেবা করব।

২০০৮ সালে শালবনির জিন্দাল ফ্যাক্টরি উদ্বোধন করে মেদিনীপুরে ফেরার পথে ৬০ নং জাতীয় সড়কে মাওবাদীদের ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণের মুখে পড়েন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। এই ঘটনার তদন্তে নেমে ছত্রধর মাহাতোর নাম সামনে উঠে আসে। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তখন তিনি জনসাধারমের কমিটির মুখ ছিলেন। তাঁর গায়ে সেঁটে যায় মাওবাদী তকমা।

কলকাতা হাইকোর্ট ২০১৯-এর আগস্টে খারিজ করে দেয় এই রায়। ছত্রধর মাহাতোর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা কমিয়ে ১০ বছর করা হয়। সাজার মেয়াদ কমানো হয় মাওবাদী কার্কলাপে জড়িত সুখশান্তি বাসকে, শম্ভু সোরেন, সগুন মুর্মুর। বেকসুর খালাস করে দেওয়া হয় রাজা সরখেল ও প্রসূন চট্টোপাধ্যায়কে। এই ঘটনায় জড়িত এক অপরাধী মৃত্যু হয়।

Loading...

চাক‌রির খবর

ভ্রমণ

হেঁসেল

জানা অজানা

সাহিত্য / কবিতা

সম্পাদকীয়


ফেসবুক আপডেট