গল্প || ভালোবাসার পরশ ছোঁয়া || তৃতীয় পর্ব || – লেখক: এন.কে.মণ্ডল


শনিবার,০৮/০২/২০২০
636

আর কয়েকদিন বাদ আছে উচ্চমাধ্যমিক পরিক্ষার। ভীষণ চাপ পড়াশোনার। দুজনেই জোর কদমে পড়ছে। রিনা ফজল মাস্টারের কাছে পড়া বাদ দিয়েছে। রিনা কে রিতু ম্যাডাম পড়াতে আসে। রিনাদের বাড়িতেই। রিনার মা ঠিক করে দিয়েছে। এমন সময় রিনার মোবাইলে ফোন বেঁজে উঠলো। রিংটোন ছিলো, ও প্রিয় ও প্রিয়… বলে। বাবা সামনে থাকায় ধরতে পারছে না। কয়েকবার ফোন বাঁজলো। আবার বাঁজছে।তখনই রিনার বাবা বলে উঠল। রিনা..মা ফোন বাঁজছে ধরো। ফোন ধরে ঘরের ভিতর চলে আসলো। হ্যালো, এখন রাখো আব্বা আছে। পরে ফোন দেব। রমজান আলি হঠাৎ রিনার ঘরে প্রবেশ করে। রিনা ভয় পেলো। রমজান জিজ্ঞেস করে,কি রে মা। কার সঙ্গে কথা বলতেছিলে। রিনা ভয় পায়। চোখ ঝলমল করতেছিলো। রমজানের আদরের মেয়ে। কখনো মারে নি। এমন কি কোনোদিন একটা ধমকও দেন নি। কিন্তু তাঁর চরিত্র দেখে সবাই ভয় পায়। সে খেত্রে রিনাও পাই।

গ্রামের শেষ কথায় হল ওর কথা। কি রে মা বল। রিনা বলতে পারে না। রমজান রিনার অর্থাৎ মেয়ের পাশে বসে মাথায় হাত বুলায়। আমাকে ভয় লাগছে। আমি অতটা খারাপ নয় রে মা, যতটা তোমরা ভয় পাও। তুমি নাহিদের সঙ্গে কথা বলছিলে। বাবার মুখ থেকে নাহিদ কথাটা শুনে রিনার ভীষণ ভয় করতে লাগে। ভয় পায়। তুমি কি নাহিদ কে ভালোবাসো। কোনো কথা বলে না। মা রে আমি সব জানি, তোমার মা আমায় সব বলেছে। আমি নাহিদের সঙ্গেই বিয়ে দেব তোমার। কথা দিচ্ছি। সত্যি বাবা। হ্যাঁ মা হ্যাঁ। বাবা কে জড়িয়ে ধরে রিনা। বাবা তোমায় কত ভয় পায় আমরা, কিন্তু তুমি সত্যিই ভালো। ঠিক আছে, ঠিক আছে মা। আগামীকাল নাহিদ কে বাড়িতে আসতে বলো। আর পরিক্ষার সময় দুজনেই পড়ায় মন দাও। গল্প করার সময় অনেক আছে। সামনে আবার পঞ্চায়েত নির্বাচন। আমাকে অনেক কাজে যোগ দিতে হবে। বাবা তোমায় একটা কথা দিতে হবে। বলো। তুমি সমাজে নোংরা কাজ এবং রাজনীতি করবে না। তোমায় অনেক মানুষে খারাপ বলে। আমার শুনতে ভালো লাগে না। না মা আমায় এরকম কথা বলিস না। আমি একথা জীবনেই রাখতে পারব না তোর। স্বয়ং আল্লাহ বল্লেও না। কেন আব্বা কেন। আমার বাহিরটা সবাই দেখে ভিতরটা কেউ দেখে না। তাই আমাকে অনেক খারাপ বলে। তুমি আগামীকাল নাহিদ কে দাওয়াত দেবে। রাত্রে আমাদের বাড়িতেই খাবে একসঙ্গে। কেমন। ঠিক আছে আব্বু। ঠিক আছে।

পরেরদিন সকালে, ঠিক আট টা হবে। রিনাদের বাড়িতে এসে হাজির। মোড়ল মশাই। মোড়ল মশাই। বাড়িতে আছেন নাকি। আছি কে। আজ্ঞে আমি নিয়ামত, চাচা। ও নিয়ামত এসো। তো সাদেক সাহেব ভালো আছে তো। হ্যাঁ ভালো আছে বটে, কিন্তু বড় চিন্তায়। কেন। চিন্তা এমন কিছুই না আবার বড় চিন্তা। আরে ভালো করে বল হতচ্ছাড়া। আমাদের মাস্টারের জন্য বিয়ে দেখে চলেছে। কিন্তু কারো সঙ্গে মিলছে না। হ্যাঁ গত পরশু আমায় বলছিলো বাগানে। হ্যাঁ। চাচা বাড়িতে গিয়ে বলেছে। সেই বিষয়েই আসা এক ধরনের। ওহ। তো বস। ভালো তো। আমিও দিতে রাজি হয়েছি। সত্যি। হ্যাঁ রে। রিনা ঘরেই ছিলো, শুনতে পায়। সে ভীষণ ভাবে ভেঙ্গে পড়েছে। আব্বা আমায় তাহলে মিথ্যা বলল। সে আর ভাবতে পারছে না। আরে ওই নিয়ামত, সাদেক কে বলবি নির্বাচনের আগেই বিয়ে দেওয়া যাবে না।ঠিক আছে চাচা, তাহলে আমি এখন উঠি। ঠিক আছে আয়। নিয়ামত চলে যাওয়ার পর রমজান বলে উঠে, শালা আমার বাড়িতে বিয়ের কথা এনেছে। রিনার মা তুমি শুনছ । ওই সাদেকের বাড়ি আমি বিয়ে কখনই দেব না। শালারা কিপটে, শিক্ষিত ফ্যামিলি হলে কি হবে। শালা বড় হারামি। রিনার মা আমায় কিছু খেতে দাও তো। ও পাড়ায় আজ সভা আছে। নির্বাচনের ব্যাপার তো। ও পাড়ায় করিমের কথা শুনছে সবাই। সাদেক এবার নির্বাচনে জিততে পারবে না। অনেক ঝামেলা।

গতবারে সাদেক মাস্তানি করে জিতেছিলো। অবশ্য প্রকাশ্যে আসে নি তাঁর নাম। বাহির থেকে গুণ্ডা এনেছিলো। এবার নাকি বেশিরভাগ মানুষ সাদেক কে চাইছে না। আমাদের দলের পার্থী এবার কাকে করবে কে জানে। অঞ্চল সভাপতির ব্যাপার সেটা। আমার বুথে কোনো পার্থী থাকবে না। বলে দিয়েছি। আর যদি দিয়ে দেয় তবে কি করবে। কি আর করব,সে দেখতে হবে।সারাজীবন বিনা ভোটে জিতেছি,এবার জিতব। যাই হোক। খাবার দাও। দিচ্ছি, হাত মুখ ধুয়ে এসো। রমজান মাতব্বর নিজেকে ফ্রেশ করে আসলো খাবার টেবিলে। বসেই রমজান মাতব্বর ভীমরি খেলো। কেননা আজ সাধের কচি পাঁঠার মাংস রয়েছে। দেখে সে কি খুশি। জিভ দিয়ে লালা ঝরে ঝরে পড়ছে। বউ আজ কি ব্যাপার পাঁঠার মাংস তুমি রান্না করেছো। তুমি তো পাঁঠার মাংস দেখতে পার না। তাতে আবার রান্না। বউ তোমায় কি বলে যে ধন্যবাদ জানাই। নাও নাও হয়েছে। এবার খাও।

তোমার মেয়ে নিয়ে এসেছে, সে তোমায় খাওয়াবে বলে। রিনা এনেছে আমার জন্য। হ্যাঁ ওই-ই রান্না করেছে। তাই নাকি। আর তাছাড়া আজ নাহিদ কে ডেকেছে। ওহ তাই। সে কি বলেছে। সে আসতে চাই না। কারণ তোমাকে খুব ভয় পায়। ওহ তা ভালো, ভয় থাকা ভালো। গ্রামের সবাই আমাকে ভয় পাই। পাওয়ার দরকার আছে। সমাজ চালানোর জন্য কঠোর ও মেজাজি হওয়া চাই। নইলে হয় না। কিন্তু নম্রও হতে হয়। কিন্তু তোমায় তো অনেকে কুচুটে বলে।দুর্নাম করে। সে করে করুক। সে দেখে আমার লাভ নেই। এই মাংসটা নাও। আরে আর দিও না। অনেক খেয়ে ফেলেছি। আর একটা।এই বুকের হাড্ডিটা। দাও তুমি যখন বলছ। হ্যাঁ আমার মামনি রান্না করেছে। সে কই। ডাকো খাবে না। খাবে। পরে খাবে। শিলাদের বাড়িতে গিয়েছে। কিসের নোট না ফোট আনতে। বলে গেলো আব্বু আসলে খেতে দিতে। হ্যা গো নাহিদের সঙ্গে বিয়ে দেবে নাকি। ভেবে দেখতে হবে।ওরা দুজন দুজনে যদি পছন্দ করে থাকে তাহলে দিতে হবে। ওসব কথা বাদ দাও, যখন হবে তখন হবে। আমি উঠলাম। এখন কোথাও যাবে নাকি। হ্যাঁ যাব। ওই পাড়ায় সভা আছে। আমি না গেলে আবার আলোচনায় বসবে না। যাই গো। বলছিলাম সঁন্ধায় ফিরে এসো।কেন। নাহিদ কে ডেকেছে। ওহ। ঠিক আছে। চলে আসব।

আজ দশ নম্বর সংসদে রাজনৈতিক কর্মসূচী। আয়োজন করেছে পিপলস পার্টি অফ থমথমপুর। অর্থাৎ রমজানের পার্টির সভা। বিশেষ আলোচক হিসাবে রমজান মাতব্বর থাকছেন। আলোচনা সভায় উপস্থিত অনেক নেতা ও মাতব্বর। কিন্তু রমাজানের অপেক্ষায় আছে নেতা ও কর্মীরা। এদিকে নাহিদ কথা দিয়েছে রিনা কে। আজ ওদের বাড়ি যাবে। কিন্তু মাতব্বর সাহেব কে বড় ভয় লাগে। তাই অনেকটা ভিতু ভিতু ভাবে আছে। তবে এটা ভেবে নিয়েছে, যে উনিই তো আমায় যেতে বলেছেন, বলল রিনা। তবে কিছু আমায় বলবে নাকি। প্রায় বিকেলের পরে বেরিয়ে পড়ল।হাটতে হাটতে আসছে। হাতে বন গাছের চিকন লতা জাতীয় গাছ। হাতে ঘুরাচ্ছে আর গান গাইতে গাইতে আসছে। গানটা ছিল “আমি তোরে বাইসা ছিলাম ভালো রে মন। বাইসা ভালো। ওদিকে রমজান মাতব্বর সভায় উপস্থিত হলেন। কিন্তু লোক কোথায়। ফাঁকা তো। শুধু নেতা কর্মীরা। আর গুটি কয়েক সুদখোর বসে আছে। রমজানের আলোচনা শোনার জন্য। রমজান বলে উঠলো…. হারে নিয়াজদ্দি। লোক কোথায়। মোড়ল মশাই লোক প্রথম থেকেই নেই। সে কি। ঠিক আছে সভা বাতিল কর। বাতিল করতে হবে। হ্যাঁ বাতিল। আগামীকাল লোকাল সভা করতে হবে। পার্টি অফিসে হবে।চিঠি পাঠানো হবে। নিয়াজদ্দি আমি বাড়ি গেলাম।

নাহিদ আম বাগানে দাঁড়িয়ে আছে। ভাবছে যাবে কি না। যদি কোনো কিছু করে বসে রমজান চাচা। আবার অন্যদিকে ভাবছে, যে তাহলে রিনা তো আমায় জানাবে। তাই না। যাই যা আছে কপালে। না হয় ভালোবাসার জন্যই জীবন দিলাম। মনে করে নেব। ভাবতে ভাবতে চলছে। এমন সময় সুজনের সঙ্গে দেখা। সুজন মাথা নত করে পালিয়ে যাওয়ার চেস্টা করছে। ওই শালা দাড়া দাড়া। ওই ওই। সুজন পিছন দিকে না তাকিয়ে ছুটতে লাগে। অবশেষে সুজন পালিয়ে বাঁচলো। নাহিদ খুব হাপাচ্ছে। হাপাবেই না কেন। প্রতিশোধ বলে কথা। মিনিট দুয়েক হাফ ছেড়ে বসে রইলো। এবার আবার উঠে চলল রাস্তা দিয়ে হেটে। সামনে রিনাদের বাড়ি। বড়ো বাড়ি। গ্রামের মধ্যে সেরা বাড়ি। জমিদারের বাড়ি বলে কথা। প্রায় দুইশো বিঘা জমি রমজানের। নাহিদ চলল বাড়ির ভিতরে। গিয়েই রিনার মা কে দেখা গেলো। চাচি মা রিনা নেই নাকি। আছে ওর ঘরেই আছে। যাও অসুবিধে নেই। রিনা ও রিনা মা। নাহিদ এসেছে। নিয়ে যা। রিনা খুশিমনে মিচকি হাসি হাসতে হাসতে নেমে এলো দোতলা থেকে। রিনা বলে উঠলো, আমি ভাবতেই পারি নি,তুমি আসবে। যাও বাবা রিনার ঘরে যাও। নাহিদ সিঁড়ি বেয়ে উঠে গেলো। বাড়ির ভিতরে। দোতলায় উঠিবার জন্য সিঁড়ি আছে। বড়োলোকি ব্যাপার। ওরা কি না করতে পারে। ঝকঝকে পরিষ্কার বাড়ি। মূল্যবান জিনিস দিয়ে সাজানো আছে। কিছুদিন আগে নিচের তলায় ছিলো রিনার ঘর। এখন উপরতলায় হয়েছে। নাহিদ রিনার ঘরে গিয়ে তো আশ্চর্য। এত সুন্দর সাজানো গোছানো ঘর। বিদেশী আসবাবপত্র।

এমন কি বসিবার শোফাটাও। আরে তুমি কি ভাবছো। বসো,আমি তোমার জন্য কফি নিয়ে আসি। আরে না না। আনতে হবে না। বসো গল্প করি। নাহিদ বলে উঠে আজ যেন তোমাকে নতুন নতুন লাগছে। কোনো অজানা লোকের কাছে আছি তাই মনে হচ্ছে। কেন। না এমনি এমনি। একটা কথা বলব রিনা। বলো। আচ্ছা আমাকে আজ কিসের জন্য ডাকা হয়েছে বলবে। আমি জানি না। আব্বু ডাকতে বলেছে আমি ডেকেছি ব্যাস। আর কিছুই জানি না। তুমি বসো আমি কফি নিয়ে আসি। কফি গ্রামের মানুষ সেরকম চেনে না। বোঝেও না।কিন্তু বড়লোক বাড়ি বলে কথা। রিনাদের বাড়িতে হামেশায় পাওয়া যায়। রিনা নেমে আসলো। সে সময় রমজান মাতব্বরও প্রবেশ করলো। বিড়বিড় করতে করতে। আব্বু তোমার এখন সভায় থাকার কথা। হঠাৎ করে বাড়িতে। আর বলিস না। সভায় লোকজন নেই। কাকে নিয়ে হবে সভা। পার্থী বাছাই কাকে নিয়ে করব। সেসব আমাদের ব্যাপার। তোমায় বুঝতে হবে না। আব্বু। কি কিছু বলবে। হ্যাঁ আব্বু। বলো। বলছি নাহিদ এসেছে। ওহ তো ভালো কথা। তো কোথায় সে ভদ্রলোক। উপরে। আমার ঘরে বসে আছে। কিছু দিয়েছো খেতে টেতে। না বাবা। ঠিক আছে কফি নিয়ে এসো। আমি তোমার ঘরে যাচ্ছি। ওহ হ্যা আমার জন্য আনতে ভুলিও না। ঠিক আছে আব্বু।আমি কি তোমার কথা ভুলতে পারি। ঠিক আছে যাও। রিনার মা, ওহ রিনার মা। শুনছো। হ্যাঁ বলো। খোকা আসার কথা ছিলো না আজ। হ্যাঁ। সে ফোন দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে,যে আগামী এক সপ্তাহ বাড়ি যাবে না। এখনো কাজ আছে। ওহ। তো নাহিদ এসেছে নাকি। হ্যাঁ। কথা বলেছো নাকি। না সেরকম বলা হয় নি। ঠিক আছে আমি যাচ্ছি। না যাব না। তুমি যাও। ঠিক আছে। রমজান সাহেব রিনার ঘরের দরজার কাছে গিয়েই গলা ঝাড়লেন। হু হু করে। কিরকম তা আমার ভাষায় আসছে না। আরে চাচাজি। কেমন আছেন। ভালো। তুমি কেমন আছো।

বাড়ির সবাই ভালো তো। হ্যাঁ চাচাজি। কিছুক্ষণ চুপ মেরে গেলো নাহিদ। কোনো কথা নেই। বোবা। মাতব্বর বলে উঠলো, তোমার বাবা নাকি মানুষকে ভুলভাল বুঝাচ্ছে। না চাচা। আমার বাবা যথেষ্ট আলাদা মানুষ। সে মানুষের ভালো চাই। কখনো খারাপ চাই না। এমন কথা বলতে বলতে রিনা হাজির। হাতে কফির গ্লাস। সঙ্গে কিছু বিদেশী চানাচুর। মাতব্বর কফির সঙ্গে চানাচুর খেতে খুব ভালোবাসে। এই নাও আব্বু কফি আর তোমার চানাচুর। আরে আগে নাহিদ কে দাও। না আগে তুমি নাও। মাতব্বর কফিতে চুমুক দিয়েই বলল। দেখো বাবা নাহিদ। তোমাদের বিষয়টা আমি জানি।তোমার চাচি বলেছে। তাতে আমার কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু তোমার বাবা কে নেতারা ভালো চোখে দেখছে না। কোনদিন হয়ত শুনবে, যে তোমার বাবা কে পুলিশে নিয়ে গেছে। তোমার বাবা কে বোঝাও। রাজনীতির মধ্যে না আসতে। পড়াশোনা জানলেই সবকিছু সবার দ্বারা করতে নেই। চাচাজি এসব কথা আমার বাবা কে বল্লেই বরং ভালো। আমি এসবে জড়াতে চাই না। আমি ছাত্র মানুষ ওসব বুঝি না। তোমার বাবার জমিটাও নাকি জোর করছে সাদেক। সব কথা আসে কানে বাবা। তখন রিনা বলে উঠে, আব্বু তুমি এসব কি বলতেছো ওকে। ওসবের মধ্যে ওকে টেনো না। কই টানছি, কথাগুলি বললাম আর কি। ঠিক আছে গল্প করো তোমরা। আমি উঠি। রাত্রে একসঙ্গে খাবার খাবে কেমন। তারপর বাড়ি যাবে কেমন। না আমাকে বাড়ি যেতে হবে চাচাজি। কথা আছে তোমার সঙ্গে একান্ত।

চলবে …

এন.কে.মণ্ডল

Loading...

চাক‌রির খবর

ভ্রমণ

হেঁসেল

জানা অজানা

সাহিত্য / কবিতা

সম্পাদকীয়


ফেসবুক আপডেট