গল্প: টু ফ্রেন্ডস – পর্ব ১


মঙ্গলবার,৩০/০৬/২০২০
1177

বহু বছর বহু সময় পরে বুঝি কোথাও যেন মিলে গেছে এক একটি কাহিনী।

তবে কিছু কিছু কাহিনী হয়তো মিলিয়ে যায় কোন এক সময়ের ভেতর। জীবনের শুরুতে মানুষের জীবন গুলো এমন ভাবে বুঝিয়ে থাকে যা হয়ত মানুষের কল্পনা অথবা নিরলস পরিশ্রমের মধ্যে গঠিত হয়ে এবং আশা ও কম নয় কারণ প্রত্যেকটি মানুষের জীবনে আসার সাথে, তাই বুঝি কোনো এক সময়ে জীবনের চলার পথে কোন একদিন থেকে এক বন্ধুরা বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে ছিলাম। শ্রুতিমধুর দিনগুলো যেন ছিল খুব অনবদ্য সুন্দর এবং আবেগীয় ভালোবাসার মধ্যে দিয়ে।
দিনগুলো ঠিকই চলছে
-কিন্তু সময়!
-সময় বুঝি নিজের ইচ্ছাতেই চলছে।

সময়ের কণ্ঠস্বর আজও সে স্মৃতি হিসেবে রেখে দিয়েছে নিজের হৃদয়ের মাঝে এবং কি কিছু স্মৃতি আজও মস্তিষ্ক থেকে বিতাড়িত করা যায়নি।বন্ধু বলে কথা নয় নিজের একটি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কোন এক সদস্য হিসেবে ধরা যেতে পারে তাকে। এতক্ষন যার কথা বলছি তার সম্পর্কে কিছু বলতে গেলে হয়তো আমি নিজেকে অনেক বড় একটি পন্ডিত অথবা গল্পকার মনে করতে পারি।

তাই বুঝি সেই স্মৃতিগুলো ধরে রাখতে আমি একটি গল্প ওয়লা হয়ে গেলাম।তবে আমি গল্প বিকৃতি করে বেড়ায় না ফেরীতে করে নিজের মনের ভিতরে গুছিয়ে রাখি কিছু কিছু ভাবনার মধ্যে দিয়ে।যার সম্পর্কে এতক্ষণ আমি কিছুটা ধারণা দিয়েছি তার সম্পর্কে এক কাপ কফি আর ঝরঝরে বৃষ্টির ভিতর খাতায় টেবিলের উপর লিখতে বসেছি। সেই পুরনো দিনের কথা। আবেগীয় ভালোবাসার সেই বন্ধুত্ব।কপিটা যখন শুরু করেছিলাম তখন খুব চিন্তিত মনে এবং ভাবতে ভাবতে রবীন্দ্র সংগীতের মধ্যে দিয়ে লিখছি সেই পুরনো দিনের কথা। কিন্তু এখন রবীন্দ্রসঙ্গীত শেষ হয়ে অন্য একটি শুরু হলো কিন্তু কপিটা সেই অবস্থায় থেকে গেছে। কারণ কফিটা তো শেষ করাই হয়নি ভাবনা তো অনেক বড়।

চিরকাল মানুষের মধ্যে যে বিতাড়িত প্রেম বিতাড়িত ভালোবাসা বিরহের কান্না সুখের মোহ থাকে সেটা একটি পরিনাম মানুষ কে আগলে রাখতে পারে এবং মানুষের কাছে টেনে ধরে রাখতে পারে ।সেটা ভালোবাসা নয় সেটা বিরহের কান্না নয় অথবা মানুষের প্রতি আকৃষ্টও নয়। সেটা হচ্ছে বিশ্বাস। বিশ্বাস একটি বড় জিনিস যেটা কোন মানুষকে মিলিয়ে দিতে পারে কিছুক্ষণের মধ্যে অথবা বিঘ্ন করে দিতে পারে কয়েক সেকেন্ডের ভিতর।

একটি নদী চলতে থাকে এক বৃহৎ জলের মধ্যে দিয়ে কিন্তু তার সীমানা থাকে না কিন্তু মানুষের সীমানা হয়তো একদিন ফুরিয়ে যায় অথবা বহু বছর পর তাদের স্মৃতি বেঁচে থাকার জন্য আজ এই অনবদ্য কিছু কথার ভিতরে লিখতে চলেছি সেই আমার পুরনো দিনের বন্ধুত্বের মিলন, বন্ধুর কথা। কোন সীমাহীন দুরত্বের মধ্যে বা সীমাহীন ভালোবাসার মধ্য থেকে এক একটি পৃথক ভাবনা থেকেই গল্পটির নাম সৃষ্টি হয়েছে ইংরেজি ভাষা টু ফ্রেন্ডস।

গল্পের শুরুতেই বলেছিলাম গল্পটা শুরু হয় আমার এক বন্ধুকে নিয়ে।
টেবিলে খাতায় বসে এক কাপ কফি শেষ করে আরেকটি কফির জন্য মায়ের কাছে বায়না করছি।মা তখন বিরক্ত হয়ে বলে উঠেছিল
-সরাদিন তো কোন কাজ কাম নাই। শুধু ল্যাপটপ এ মাথা গুঁজে বসে থাকা আর সময় নেই ক্ষন নেই বাবুকে কফি দাও।
– মায়ের কথাই বিচলিত না হয়ে নিজের মনের ভাব নষ্ট করলাম না।
বৃষ্টি হোওয়ার কারনে রংধনু মিশ্রিত এই পড়ন্ত বিকেলে ছাদের কোনে বসে গল্পটা তৈরি করতে পারছি না। কিন্তু এই সময়ে জানালার পাশে বসে ঝিম ঝিম বৃষ্টি এ রংধনুর রং এ মিলিয়ে যেতে বড্ড বেশী খারাপ লাগছে না তবুও অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে কফি টা।
-মায়ের বকুনি শুনে কফি টা আর চাইতে পাচ্ছি না তখন একা একা বলে উঠলাম
-কফি ছাড়া বৃষ্টির অনুভূতি খুব তিতো।
মা এই কথা শুনে বলল,
-থাক থাক বুঝেছি,আনছি কফি তবে এটা শেষ কিন্তু।
-আচ্ছা বাবা ঠিক আছে
মনের ভিতর ভালোলাগা থেকে একটু উপলব্ধি পেলাম একটু বুঝি নিজের প্রতি অন্য একটি ভাষায় প্রকাশ করতে ইচ্ছে করছে

সেদিন কি বার কত তারিখ ছিল ঠিক মনে নেই। তবে এটুকু মনে আছে একটি স্মৃতি মাখা ও মুখের শুধু একটি হাসি। আর এটুকু মনে আছে সেদিন ছিল বৃষ্টির দিন।মাঝে মাঝে বৃষ্টি আবার থেমে যাচ্ছে নিমিষেই।মেঘলা আকাশ। এরকম বৃষ্টি হচ্ছিল যেন ভেসে যাচ্ছিলাম উড়ু উড়ু মনে ।আর কিছু অপরিচিত মুখের সাথে পরিচিত হয়েছিলাম মনের মিলন তবে মুখোমুখি কথা বলার মধ্য দিয়ে নয়।

স্বাধীনতা ভাবে মানুষের দরিদ্র জীবন হোক আর শিক্ষাজীবন কোন না কোন ভাবে মানুষের সাথে পরিচিত হয় অপরিচিত ব্যক্তির মধ্যে দিয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব বাড়ে অথবা পরিচিতি। ঠিক সেইভাবেই আমি পরিচিত হয়েছিলাম আমার সেই প্রিয় বন্ধু দিলিপের সাথে। তখন আমি দশম শ্রেণীর ছাত্র।দশম শ্রেণীতে পরীক্ষা দেওয়ার পরপরই আমাকে ভর্তি হতে হয়েছিল আমাদের লোকাল কলেজে।ইচ্ছে থাকলেও আমি বড় কোনো নামকরা বা সরকারি কলেজে ভর্তি হওয়ার পোষণ করতে পারতাম না কারন আমি একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান।

সবকিছুই থাকলে যেমন কিছুই থাকে না তেমনি একটি পরিবারের মধ্যে আমি জন্মেছি সেইভাবে। সময়ের সাথে মিলন রেখে নিজেকে আগে দেখেছি সকল কিছুর মধ্য দিয়ে গড়ে তুলেছিলাম। কলেজের প্রথম দিন নয় কলেজ জীবনে পা রাখার প্রথম দিন ছিল সেদিন।কলেজ জীবনে পা রাখছে হলে সরকারি নিয়মে কিছুই কাগজপত্রের মধ্যে নথিপত্র রাখতে হয় সেরকম কিছু করতে ইন্টারনেট জগতে এবং এই মহাবিশ্বের মধ্যে কিছু সময় আমি এ কম্পিউটার দোকানে গিয়েছিলাম নিজের ভর্তি ফরম করতে। সঙ্গে ছিল আমার বাবা বয়স্ক তবে অতি দুর্বল।

আমি তেমন শক্তিশালী তেমন নয় আমি নিজেও দুর্বল কিন্তু কোন রোগের ভুক্ত নয় হয়তো বয়স হলে সেটা হতে পারে। কিন্তু আমার বাবা ছিল কিছু রোগের ভুক্ত।সেরকমভাবে উনি আর আমি ছিলাম সেই কম্পিউটারের দোকানে হঠাৎ করে কিছু ছেলে সারিবদ্ধ হয়ে চলে আসলো সেদিনের ছেলেগুলো আজ আমার বন্ধু।সময়ের ব্যবধানে ছেলেগুলো থেকে তাল মিলিয়ে যখন কম্পিউটারের দোকান থেকে বলল
-নাম্বারটা দিন
– তখন আমি একটু জোর দিয়ে বললাম আমার নাম্বার।নাম্বারটা দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল কিছু ভেরিফিকেশন এবং যাচাই করার মধ্য দিয়ে আমার তথ্যগুলো প্রবেশ করানো। সেখান থেকে শুরু হল আমাদের কিছু কথা । এখানে বসে থাকা একটি ছেলে বলে উঠলো এবার তোমার ফোনে মেসেজ আসবে।তখন আমি বিনয়ের সঙ্গে তার মুখের দিকে একটু তাকিয়ে ।

অপেক্ষা করতে থাকলাম মেসেজের জন্য , তথাপি অনুসরণ করে কোন আর কথাই উত্তরে আমি তাকে বললাম না। তখন আমাদের ব্যাংকে কিছু কাজ ছিল আমার বাবার পরিবারিক থেকে।তো ব্যাংকের কাগজপত্রগুলো সে আবার বাড়ি রেখে আসছিল ব্যাংক থেকে একজন আমাদের প্রতিবেশী সে এসেছিল কাজে সেই একই কাজ করায় সে বলে উঠলো এই কাগজগুলোর লাগবে ঝড়-বৃষ্টিতে বাবা বেরিয়ে পড়ল বন্ধুদের মধ্যে থেকে এক বন্ধু চলে আসলো আমার সেখানে ইতি পূর্বে আমার ফরম পূরণ করা হয়ে গেছে বলে আমি বাইরে এসেছিলাম।এসেছে আমার দিকে এমন ভাবে তাকাচ্ছিল তাহার বলার মত নয় নামটা তার বর্তমান জীবনে বন্ধুত্বের খাতিরে বলতে পারি সুকান্ত।

হ্যাঁ সে সুকান্ত ছিল সে শুধু আমার দিকে তাকিয়ে ছিল আমিও মাঝে মাঝে তার দিকে তাকিয়ে থাকতাম কারণ সেদিন ছিল প্রথম দিন এবং সে আমার সাথে কথা বলতে চাইল নাকি লজ্জা পেতে পারে বা কিসের ক্ষেত্রে জানিনা সে কথাই বলত না।পরবর্তীতে তার তাকানো গুলো আমার এখনো মনে পড়ে এবং শেষ রীতিবদ্ধ জীবনের মধ্যে থেকে একটি কথা বলতে পারি সেই তাকানো আমি এখনো ভুলিনি।এইভাবে আমি বাড়ি চলে আসলাম পরবর্তীতে আমাকে মেসেজ দিয়ে জানানো হলো আমি সেই লোকাল কলেজে ভর্তি হতে পেরেছি এবং আমাকে কনফার্ম করা হয়েছে এই নিয়ে বোর্ড থেকে অভিনন্দন জানাল।

এরপর ছিল কলেজের সেদিন প্রথম দিন।আমি খুব উৎসাহ তো ছিলাম এবং সেদিন আমি খুবই মনোযোগ সহকারে কলেজে যাচ্ছিলাম একটি আনন্দের ভিতরে থেকে কলেজ এখানে প্রবেশ করলাম তখন ইতিপূর্বে আমার কিছু স্যারের সাথে ফোনে আলাপ করার মধ্যে দিয়ে পরিচয়টা আংশিকভাবে গাড় হয়েছিল।তাই আমি নিজের সাহসে অনেক ছাত্রদেরকে পার করে কিছু সিঁড়ি পিছনে রেখে আমি চলে গেলাম অফিস মহলে। সেখানে গিয়ে স্যারকে আমি জিজ্ঞেস করলাম আমার ক্লাসটা কোথায় এবং কিছু বৃত্তান্ত জেনে আমি ক্লাসে প্রবেশ করলাম।ক্লাসে প্রবেশ করতে দেখেই সবাই উপস্থিত এখানে শুধু আমি নেই আর সবাই আছে বুঝি এরকম কিছু মনে হল এর কারণ আমি একটু দেরীতেই ক্লাসে প্রবেশ করেছিলাম তবে সেদিন হাস্যকর এবং নিজেকে খুব লজ্জা বোধ করছিলাম সকল বন্ধুদের ভিড়েও কারনটা খুব দীর্ঘ না হলে স্বল্প তবে খুব লজ্জাজনক।প্রথম দিন ক্লাস না হতেই আমাদের ক্লাসের ম্যাম তার পাঠক্রমে কিছু লিখতে বলছিল খাতায় এবং সে তার পড়া চালিয়ে যাচ্ছিল এমন সময় আমি নিজের ব্যাগটা চেক করে দেখি আমার ব্যাগের ভিতর কলম নেই । আমি সকলের মাঝে একটু লজ্জিত হলাম, আমার পরিচয়টা নিয়ে আমাকে চালাক বলে ঘোষণা করল ম্যাম। এর জন্য আমি একটু বেশি লজ্জিত বোধ করলাম।এরপর কিছুদিন যাওয়ার পর আমি নিজের সব গুলো ঠিকঠাক করে দেখে নিয়ে যেতাম বাড়ি থেকে এবং সবকিছু ঠিক করে নিয়ে যেতাম কয়েকদিন গেল অথবা কয়েক সপ্তাহ ঠিক মনে নেই‌।এক সময় আসলো যে সেদিন ক্লাসে লোক সংখ্যা খুবই কম ছিল এতটাই কম ছিল যে গুণে বলে দিতে পারতাম মাত্র চারজন।

বর্ষার দিন লোক সংখ্যা খুব কম কলেজের প্রথম দিন জানিনা কেন কলেজে প্রথম মাসেই এত কম হলো, তবে আমি কলেজ টার প্রতি এতটাই আগ্রহ এবং উৎসাহ ছিলাম যে আমি কোনদিন কলেজ মিস করতাম না।হ্যাঁ তো সেই ভাবেই লোক সংখ্যা ছিল চারজন তিনজন বন্ধু ছিলাম তার ভিতরে এবং একটি মেয়ে এবং আমাদের শেষ ক্লাস কম্পিউটার ক্লাসে আমি যখন চলেছি তখন কম্পিউটার ক্লাসে চলার পথে তারা দুইজন আমার পিছনে ছিল এবং সেই মেয়েটির সাথে আমি এর আগে থেকেই পরিচিত হয়েছিলাম এজন্য তার সাথে আমি কথা বলছিলাম বন্ধুবান্ধবের মধ্যে এই হল আমার একটি কথা বলা বান্ধবী।এখন সে আর আমি কথা বলতে বলতে চলছি এবং পিছনে আছে আমার বন্ধু দিলীপ এবং সাথে হোছাইন। এবং দিলীপের মামাতো ভায়।

যখন আমি ক্লাসে প্রবেশ করলাম তারাও করল এবং আমাদের স্যার ক্লাস শিক্ষা নিচ্ছে এবং নিতে নিতে সে শুধু একটি কম্পিউটারের মধ্যে আমাদের শিক্ষাচ্ছে । যেহেতু, অল্প লোক ছিল এবং পিছনে আমরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সেটা শিখছিলাম।কম্পিউটার ল্যাবে স্যার বলে উঠল
– তোমরা এগুলো প্র্যাকটিস করতে লাগল আমি একটু বাইরে থেকে আসছি।
– তখন আমরা স্যারের সাথে তাল মিলিয়ে বললাম ঠিক আছে স্যার।

তখন ইতিপূর্বে স্যারের শেখানো কাজ আমি করছিলাম এবং দিলীপ তখন বলে উঠলো যে আমি কম্পিউটার সম্পর্কে একটু একটু জানি এবং আমার ধারণা আছে।

তখন আমার কম্পিউটার সম্পর্কে ধারণা কম ছিল কারণ ইন্টারনেট এবং কম্পিউটার এগুলো নাম শুনলেই আমি খুবই আকর্ষনীয় হয় প্রত্যেকটা মানুষের জীবনে যে সমস্ত অথবা ভালোবাসার মধ্যে কিছু কিছু জিনিস থাকে তার মধ্যে আমার একটি জিনিস হচ্ছে কম্পিউটার ইন্টারনেট।তাই কম্পিউটার সম্পর্কে আমার ধারণা খুব কম ছিল তো কিছু কাজ করতে করতে দিলীপ আমার পেছন থেকে বলে উঠলো দোস্ত কিছু মনে করো না দেখিয়ে দিচ্ছি।

সে কথাটিই আমি মনে করলে এখনো আমার কানে কানে দিলীপ বলে “দোস্ত কিছু মনে করো না দেখিয়ে দিচ্ছি”
আমি মনের ভিতর যখন একটু মুচকি হাসি দিয়ে বললাম না না কিছু মনে করিনি।তখন সেই হাসি টার মধ্যে থেকে আমি মনের ভিতর থেকে একটু উপলব্ধি পেলাম সে হয়তো তখন থেকে আমার সাথে কথা বলা শুরু করলো। সেই ছিল প্রথম কথা এবং আজও কথা চলে তবে শেষ হয়নি জীবনের প্রদীপটা।

চলবে….

Loading...

চাক‌রির খবর

ভ্রমণ

হেঁসেল

জানা অজানা

সাহিত্য / কবিতা

সম্পাদকীয়


ফেসবুক আপডেট