কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা মমতার


বৃহস্পতিবার,২৩/১১/২০২৩
316

জেলায় জেলায় মিছিল, বিধানসভায় বিক্ষোভ, ডিসেম্বরে দিল্লি চলো’র ডাক, নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত দলের বিশেষ অধিবেশনের মঞ্চ থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ডাক দিল্লি চলো’র। কেন্দ্রের সরকার বাংলায় মানুষকে প্রাপ্য টাকা দিচ্ছি না বলে অভিযোগ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, বহুবার কেন্দ্রকে বলা হয়েছে রাজ্যের পাওনা টাকা মিটিয়ে দিক। কর্ণপাত করেনি দিল্লির সরকার। দিল্লিতে আন্দোলন সংঘটিত হয়েছে । দেখা করেননি কোন মন্ত্রী। দলের নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে মমতা বলেন, প্রস্তুত হন লড়াইয়ের জন্য। এবারও সরকার আলোচনায় না বসলে রাস্তায় বসে পড়ব। রাস্তায় রাস্তা দেখাবে। আর দিল্লি অভিযানের আগে এরাজ্যে লাগাতার আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করে দেন মমতা।
​আজকের সমাবেশ থেকে মমতা বলেন:
আমাদের লোকেরা সব চোর? রোজ মিথ্যা কথা বলা হচ্ছে। মিথ্যা না বললে ইডি সিবিআই ভয় দেখানো হচ্ছে। বিজেপি সিপিএম এক সুরে কথা বলছ। কেন্দ্রীয় সরকার যত দ্রুত যাবে তত মঙ্গল। খেলোয়াড়দের সব গেরুয়া পরিয়ে দিয়েছে। অন্য জায়গায় ম্যাচ হলে ভারত জিততো। জোটের নাম ইন্ডিয়া, তাই সব ভারত করে দিচ্ছে। এতটাই ভয় পেয়েছে। ১০০ দিনের কাজ বন্ধ, টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।
বাবুদের নামে স্টেডিয়াম হবে, মূর্তি হবে। সব গেরুয়া করে দিয়েছে। সব সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র গুলো গেরুয়া করতে চিঠি দিয়ে ছে। ৭০ হাজার লোক দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছে। বড় বড় রাজবাড়িতে সব জমিদার বসে আছেন। যা বলছেন তাই করছেন। একটা বিল পাশ করতে পারি না। নতুন জমিদারি প্রথায় জমিদার তৈরি হয়েছে। ওরা পাপিষ্ঠ, ওদের থেকে সাবধান থাকুন। সবকিছু তেই না না না। মানুষ এবার ওদের না না না করে দেবে। বাংলায় কিছু হলেই রে রে করে ওঠে। নোট বাতিলের পর দেশের অর্থনীতি কী অবস্থা?
গেরুয়া ত্যাগী দের জন্য, ভোগীদের জন্য নয়। তোমরা ভোগী। সরকারি সব সংস্থা বেঁচে দিয়েছো। কত টাকা পেয়েছে?
ভারতের সবচেয়ে ক্ষতি করেছে ওই লোক দুটোকে সাপোর্ট করো না। আর এস এস কে বার্তা মমতার। রাজনীতি করছো করো, ধর্ম করছো করো, ওই লোক দুটোকে সমর্থন করো না। 15 লক্ষ কোটি টাকার ইনভেস্টমেন্ট হয়েছে রাজ্যে গত কয়েক টা বানিজ্য সম্মেলন থেকে। তার মধ্যে 10 লক্ষ কোটি টাকার ইনভেস্টমেন্ট হয়ে গিয়েছে। বাকিটা প্রসেস চলছে।

ক্ষমতা থেকে গিয়ে দেখবেন কি অবস্থা হয়। এরা হচ্ছে বড় পকেটমার। কত পকেটমার বিদেশে পালিয়ে গিয়েছে। যারা নরকঙ্কাল নিয়ে চলেছে তাদের বড় বড় কথা। জয়নগরে বড় বড় ৩ টে খুন করেছে। শূন্য হয়ে গিয়েছে, শূন্যই থাকবে।
বাংলায় ডেস্টিনেশন। বাইরে যাবেন না। বাংলায় প্রচুর কাজ হচ্ছে। বাংলায় ফিরে আসুন। আমাদের টাকা থাকলে আরও কাজ করতে বলবো। সাংসদের বলবো রাস্তার কাজ করুন। সাংসদ কোটার টাকায় সেই এলাকার রাস্তা করতে বলবো।
এত কাজ করার পর ও সিপিএম বিজেপির কাছে জ্ঞান শুনতে হবে? বদলা নিন । রাজনৈতিক ভাবে বদলা। সব জায়গায় ওদের হারিয়ে দিন।
কোথাও বন্ধের রাজনীতি চলবে না। কারখানার গেট বন্ধ করা যাবে না। কোন বিরোধ হলে আলোচনা করে মিটিয়ে নিন।
একজনের কাছ থেকেও যেন আমার ভাইটা চোর শুনি না। ওরা আরো বড় চোর।
বিজেপির টাকা নিয়ে সংখ্যালঘু দের ভুল বার্তা দিচ্ছে। ভুল বোঝাচ্ছে। ভাঙড়ের খুনে জড়িত, হাইকোর্টের রেজিস্টার গাড়িতে ধাক্কা মারছে। এদের থেকে সাবধান থাকুন।

আবার দিল্লি যেতে হবে। তৈরী থাকুন। বিধানসভার অধিবেশনে সব বিধায়কদের উপস্থিত থাকতে হবে। আমাদের ৪ টে এম এল কে আমাদের ৪ জনকে জেলে ভরে আমি ৮ জনকে জেলে ভরবো যাদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ আছে। বিধানসভায় ধরনা আম্বেদকর মূর্তির সামনে 28,29,30 । কেন্দ্রীয় সরকার টাকা দিচ্ছে না। প্রতিবাদ জানান। বিক্ষোভ দেখান। 2 ও 3 ডিসেম্বর বুথে বুথে মিছিল করুন। প্রাপ্য টাকার দাবিতে মিছিল। বিজেপিকে বিদায় দিন। মহিলা তৃণমূল ও বঙ্গ জননী এক সঙ্গে কাজ করবে। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সভাপতি, মালা রায় চেয়ারম্যান। সংখ্যা লঘু শাখাকে আর ও সঙ্ঘবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে। ডিসেম্বর দ্বিতীয় বা থার্ড সপ্তাহে দিল্লি যাবো। আমাদের সময় দিলে ভালো। না হলে রাস্তা দেখাবে। আর তিন মাস, দিল্লি যাবো। জনগনের টাকা ফেরত দাও নইলে বিদায় নাও।

Loading...
https://www.banglaexpress.in/ Ocean code:

চাক‌রির খবর

ভ্রমণ

হেঁসেল

    জানা অজানা

    সাহিত্য / কবিতা

    সম্পাদকীয়


    ফেসবুক আপডেট