রায়গঞ্জের কুলিক নদীর জলে ভেসে উঠলো অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রীর মৃতদেহ


রবিবার,১৯/০৭/২০১৫
379

বিকাশ সাহাঃ    শনিবার  থেকে নিখোঁজ থাকার পর এদিন রবিবার সকালে কুলিক নদীর জলে ভেসে উঠলো বামুহা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী ইসমাতুন খাতুনের মৃতদেহ। পুলিশ সুত্রে জানাযায়, শনিবার দিন সকালে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ থানার অন্তর্গত সেরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন বামুহা গ্রামের বাসিন্দা ১৪ বছর বয়সী ইসমাতুন মাঠে গরু বাঁধতে গিয়েছিল। মাঠে গরু বেঁধে ফেরার সময় সামেদ আলি নামে প্রতিবেশী এক যুবক ইসমাতুনের পথ আটকায়। সামেদের পাটক্ষেতে লেবারদের খাবার দিয়ে যাওয়ার জন্য ইসমাতুনকে চাপ দেয় সামেদ। কিন্তু ইসমাতুন পাটেরক্ষেতে খাবার দিতে যেতে অস্বীকার করে। এরপরথেকেই  ইসমাতুনকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। বাড়ির লোক সহ পাড়া প্রতিবেশীরা খুঁজাখুঁজি করেও ইসমাতুনের কোনও হদিস পায়নি। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সামেদ আলি ইসমাতুনকে খুন করেছে। পুলিশে অভিযোগ জানানো সর্তেও পুলিশ কোনও কাজ করছে না, এমন অভিযোগ এনে শনিবার রাতে গ্রামবাসীরা সামেদকে গ্রামের মধ্যেই আটক করে রাখে। এনিয়ে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হলে রাতেই ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন ডি এস পি নারায়ণ চন্দ্র মজুমদার, রায়গঞ্জ থানার আইসি গৌতম চক্রবর্তী সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোব দেখাতে শুরু করে স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশ সামেদ কে গ্রেপ্তার করলে উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হয়। শনিবার রাত পেরতে না পেরতেই রায়গঞ্জের কুলিক ব্রিজের নিচে একটি লাশ ভাসতে দেখেন প্রাতঃভ্রমণকারীরা। তাঁরা পুলিশে খবর দিলে কুলিক নদী থেকে পেছন দিকে হাত বাঁধা অবস্থায় এক অল্প বয়সী মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ইসমাতুনের বাড়ির লোকেরা মৃতদেহ শনাক্ত করে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ জেলা হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।  ইসমাতুনের মৃত্যু রহস্য জানতে তদন্ত শুরু করেছে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। এই ঘটনা জানাজানি হতেই অভিযুক্ত সামেদের বাড়িতে ভাঙচুর চালায় উত্তেজিত গ্রামবাসীরা।   RSCN7246

Loading...

চাক‌রির খবর

ভ্রমণ

হেঁসেল

    জানা অজানা

    সাহিত্য / কবিতা

    সম্পাদকীয়


    ফেসবুক আপডেট