বিয়ের জন্য মেয়ে দেখতে এসে চুরি


শনিবার,০৮/০৯/২০১৮
438

বাংলা এক্সপ্রেস ---

পাত্র নিজেই কন্যাকে ফোন করে জানিয়েছিল সে কন্যাকে বিয়ে করতে চায়।স্বাভাবিক ভাবেই গরিব মধ্যবিত্ত পরিবার এই যাচিত প্রস্তাব উপেক্ষা করতে পারেনি কারণ কন্যার তো বিয়ে দিতে হবে।যথারীতি পাত্র নিজে ও তার পরিবারের মাসিকে নিয়ে হাজির হয় কন্যার বাড়ী।কন্যার পিতা রণজিৎ সিং পেশায় কেটারিং ব্যবসাই তিনি তার বড় মেয়ের শশুর বাড়ী গুজরাট গিয়েছেন,ভাইও বের হয়েছিলো বাহিরে।মা পাত্রদের সামনের বসার ঘরে বসতে বলে যথেষ্ট আন্তরিকতার সাথে কারন পাত্র দেখতে সুন্দর তাই এই সুযোগ হাত ছাড়া করা ঠিক হবে না।ছেলে নেই স্বামী বাইরে তাই কন্যকেই মিষ্টি আনতে পাঠায় পিছনের দরজা দিয়ে।

যথারীতি মেয়ে মিষ্টি নিয়ে এলে সাত রখম মিষ্টি প্লেটে সাজিয়ে দেয়া হয় খাওয়ায় জন্য।মিষ্টি মুখ হবার পর কন্যাকে দেখানো হয় পাত্র পক্ষকে।পাত্র পক্ষ বলে তাদের পছন্দ হয়েছে বাড়ি গিয়ে জানানো হবে কবে আবার বসা হবে বিয়ের দিনক্ষণ নিয়ে বলে চলে যায় পাত্র পক্ষ।তারা চলে যাবার পর কন্যা তার সবে মাত্র কেনা নতুন বারো হাজার টাকার নতুন ফোনটি নিতে যায় বসার ঘরে যে ঘরে পাত্র পক্ষকে বসানো হয়েছিলো।কিন্তু চারদিক খুঁজেও ফোনটি পাওয়া যায় না।মা কে জানায় ফোন পাওয়া যাচ্ছে না মাও খুঁজতে থাকে মেয়ের সাথে হটাৎ মা লক্ষ করে আলমারি খোলা তড়িঘড়ি দেখে তার ভিতর একটি ব্যাগে রাখা পাঁচ হাজার টাকাও নেই।আর এদিকে মেয়ে দেখে টেবিলে রাখা একটি বার ফোন ও তার সিমটি।

আর বুঝতে বাকি থাকে না কি ঘটেছে।অন্য ফোন থেকে ফোন করে পাত্র পক্ষকে কিন্তু ওপার থেকে ভেসে আসে ফোনের সুইচ বন্ধ আছে।জলের মতো পরিষ্কার হয়ে যায় যেচে আসা পাত্র পেশায় তিনি চোর ছিলেন।মা মেয়ের সপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়ে হাজির হয় থানায়।আতঙ্কের মধ্য রয়েছে পরিবার আবার কিছু করে না কি এই ভেবে,তবে পুলিশ বিষয়টি দেখছে বলেছে।ঘটনা চন্দননগর ৮ নাম্বার ওয়ার্ড নাড়ুয়া।পাত্রী ১২ ক্লাসের ছাত্রী অনুরাধা সিং,মা নন্দ সিং।পাত্র বলেছিলো বাড়ি ব্যারাকপুর কিন্তু এখন পুলিশ জানায় চেষ্টা করছে।

Loading...

চাক‌রির খবর

ভ্রমণ

হেঁসেল

    জানা অজানা

    সাহিত্য / কবিতা

    সম্পাদকীয়


    ফেসবুক আপডেট