বাংলাদেশের শ্রমিক: পেটে তো লকডাউন মানে না


সোমবার,১৯/০৪/২০২১
105

ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা: পেটে তো আর লকডাউন মানে না। কাজ মিলে না তাই খাবারও জুটে না। কাজ না করলে খামু খাবো কি? এসব খেটে খাওয়া দিনমজুরদের কথা। যারা দিন আনে দিন খায়। যাদের প্রতিদিনকার কাজই পরিবার-পরিজন নিয়ে বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন। কিন্তু লকডাউনে একটি কঠিন সময় পার করছেন তারা।  প্রতিদিনের মতো লকডাউনেও কাক ডাকা ভোরে ঘুম ভাঙে তাদের। দেশের প্রতিটি শহরের মোড়ে রাস্তার পাশে দল বেঁধে শতশত দিনমজুর বসে থাকেন কাজের সন্ধানে। কেও তাদের সঙ্গে কথা বলতে গেলেই সবাই তাকে ঘিরে ধরে। তারা মনে করেন, হয়তো সেই ব্যক্তিটি তাদের জন্য কাজ নিয়ে এসেছেন। যখন ভাবনার সঙ্গে মিল খুঁজে পান না, তখন আবারও বিমর্ষ চিত্তে বসে পরেন। প্রতিদিন সবাই কাজ পায় না, যাদের সঙ্গে কর্মনিয়োগ দাতার চুক্তিতে মেলে তারাই শুধু কাজ পায়। আর বাকিরা অপেক্ষা শেষে যার যার বাড়ি ফিরে যায়। কখনও খেয়ে না খেয়ে দিন-রাত পার করতে হয়।

করোনা প্রকোপ কমাতে গত বছর টানা ৬৬ দিন চলে লকডাউন। তখনও মানুষ কাজ হারিয়েছে,আয় হারিয়েছে।পরিস্থিতি সামলাতে গত বছর লকডাউনের সময় অনেকেই আগের জমানো টাকা খরচ করেছেন। আবার অনেকে চলেছেন ঋণ করে। সেই অবস্থার ঘোর কাটতে না কাটতেই আবারও দ্বিতীয় দফা লকডাউন। অনেকেরই নুন আনতে পানতা ফুরানোর সময় যাচ্ছে। দিনমজুরের করিম বলেন, ‘করোনা প্রভাব যখন ছিল না তখন কোনো না কোন কাজ পেতাম। আর কাজ করে প্রতিদিন গড়ে ২০০-৩০০ টাকা পেতাম। কিন্তু এখন কেও কাজও করায় না,আর কাজে নিতেও আসে না। এভাবে চলতে থাকলে পরিবার-পরিজন নিয়ে বাঁচা মুশকিল। ভয়ঙ্কর মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৫ এপ্রিল থেকে লকডাউন চলছে সারাদেশে। এই লকডাউনের সময় আরও বাড়ানো হবে কিনা এসব চিন্তা করেই দিনমজুরদের কপালে পড়েছে চিন্তার ভাঁজ। এমন পরিস্থিতিতে তারা প্রত্যাশা করছেন, দুযোর্গপূর্ণ সময়ে সরকার তাদের পাশে দাঁড়াবে, একমাত্র সরকারি সাহায্য সহযোগিতা বা প্রণোদনাই হতে পারে তাদের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন। 

Loading...

চাক‌রির খবর

ভ্রমণ

হেঁসেল

    জানা অজানা

    সাহিত্য / কবিতা

    সম্পাদকীয়


    ফেসবুক আপডেট